www.banglarkontho.net
  • ২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

    ভারত থেকে আরও বিদ্যুৎ আসছে মার্চে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    ভারত থেকে আরও বিদ্যুৎ আসছে মার্চে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
    ফাইল ছবি
    শেয়ার করুন

    বিকে ডেস্ক :: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, ভারতের ঝাডখণ্ডে নির্মাণাধীন আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আগামী মার্চ নাগাদ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ পাবে। মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ডে আদানি পাওয়ার লিমিটেডের নির্মাণাধীন ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি একথা জানান বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    একদল সংবাদকর্মী ও বিদ্যুৎ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিয়ে নির্মাণাধীন ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী। নসরুল বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালানের জন্য একটি বিশেষ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হবে।

    নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের লক্ষ্যে বিদ্যুতের বহুমুখী জোগান নিশ্চিত করতে ২০১৩ সালেই ভারত থেকে আমদানি শুরু করে সরকার। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা হয়ে দৈনিক ১০০০ মেগাওয়াট এবং ত্রিপুরা রাজ্যের সূর্যমনি থেকে কুমিল্লা হয়ে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছে।

    ভারতের বাংলাদেশ লাগোয়া রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের পাশেই ঝাড়খণ্ড রাজ্য। সেখান থেকে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়ার সঞ্চালন লাইন হয়ে আসবে আদানির বিদ্যুৎ।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মার্চের মাঝামাঝি পাওয়া যেতে পারে। আগামী গ্রীষ্মের চাহিদা পূরণে আরও বিদ্যুৎ প্রয়োজন। জ্বালানির বিকল্প উৎসও আমরা খুঁজছি। সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছি।

    আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুর রহমান।

    ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর বিদ্যুৎ বিভাগ ও আদানি পাওয়ারের মধ্যে একটি ক্রয় চুক্তি হয়। চুক্তির আওতায় আদানি ঝাডখণ্ডে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে।

    সেই বিদ্যুৎ দেশে এনে জাতীয় গ্রিডে যোগ করতে বিশেষ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ অংশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়ায় দুটি সাবস্টেশন ও অন্যান্য সঞ্চালন স্থাপনা নির্মাণ করছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ-পিজিসিবি।

    এখন শীত চলতে থাকায় বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কমে এসেছে। চলতি জানুয়ারি মাসের তথ্য অনুযায়ী, এখন দিনে ৮ হাজার মেগাওয়াট থেকে ৯ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হচ্ছে।

    তবে গ্রীষ্ম মাসে এই চিত্রটি ভিন্ন থাকে। গত মার্চে দিনে বিদ্যুতের চাহিদা ১২৫০০ মেগাওয়াট থেকে ১৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের মধ্যে ছিল। চাহিদা পূরণের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা দেশে থাকলেও ইউক্রেইন যুদ্ধের কারণে বিশ্বে জ্বালানির উচ্চ মূল্যের কারণে উৎপাদন কমিয়ে দেওয়া হয়।

    এস এ

    • সর্বশেষ

    স্পিন বিভাগে পার্থক্য তৈরি করতে চান বাংলাদেশের নতুন কোচ

    এপ্রিল ২৩, ২০২৪ ৮;৪৩ অপরাহ্ণ

    বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে সিলেটে ভারতের মেয়েরা

    ৮;৪১ অপরাহ্ণ

    দূর দেশে এক হলেন তিন বন্ধু

    ৮;৩৮ অপরাহ্ণ

    ৪৬তম বিসিএসের সময়সূচি প্রকাশ

    ৮;৩৪ অপরাহ্ণ

    ইরানের পরমাণু কার্যক্রম ‘ভ্রু কুঁচকে দিচ্ছে’

    ৮;৩০ অপরাহ্ণ

    নুডলসের প্যাকেট কাটতেই বেরিয়ে এলো সোনা-হীরা!

    ৮;২৮ অপরাহ্ণ

    এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ

    ৮;২৫ অপরাহ্ণ

    ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরাক ও সিরিয়ায় দুইবার হামলার কবলে মার্কিন বাহিনী

    ৮;২২ অপরাহ্ণ

    দনেৎস্কে গ্রাম দখলের দাবি রাশিয়ার

    ৮;২০ অপরাহ্ণ

    বিক্ষোভ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

    ৮;১৮ অপরাহ্ণ

    ইংলিশ চ্যানেল পার হতে গিয়ে শিশুসহ ৫ অভিবাসীর মৃত্যু

    ৮;১৬ অপরাহ্ণ

    সোনার দাম ভরিতে কমল ৩১৩৮ টাকা

    ৮;১২ অপরাহ্ণ

    কল্কি’র নতুন টিজারে অমিতাভের চমকপ্রদ লুক

    ১;১৯ পূর্বাহ্ণ

    লিওকে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপার আরও কাছে পিএসজি

    ১;১৬ পূর্বাহ্ণ

    আনন্দ-ফুর্তির জন্য ফুটবলারদের দুই দিন ছুটি দিলেন গার্দিওলা

    ১;১৪ পূর্বাহ্ণ

    সেনা ইউনিটের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুব্ধ ইসরায়েল

    ১;১২ পূর্বাহ্ণ

    পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু ও মমতার পাল্টাপাল্টি জবাব

    ১;০৯ পূর্বাহ্ণ

    বাইডেনের ‘নরখাদক’ মন্তব্যে পাপুয়া নিউ গিনির প্রতিক্রিয়া

    ১;০৬ পূর্বাহ্ণ

    মোদির ভাষণে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

    ১;০২ পূর্বাহ্ণ

    গত বছর সামরিক খাতে সর্বোচ্চ ব্যয়, শীর্ষে যেসব দেশ

    ১২;৫৯ পূর্বাহ্ণ

    Copyright Banglar Kontho ©2024

    Design and developed by Md Sajibul Alom Sajon


    উপরে